মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৫

Toy Story


Movie ............. Toy Story (1995) 
Directed By ....... John Lasseter
IMDb & Rotten Tomatoes ........... 8.3 & 100%
Cast ......... Tom Hanks as Woody, Tim Allen as  Buzz Lightyear
Budget .......: $30 million 
Box office ........: $361 million     



অ্যান্ডি ডেভিস, ছোট্ট বাচ্চা, যার রয়েছে বাক্সভর্তি হরেক রকম খেলনাপাতি, তবে তার সবচেয়ে ফেভারিট খেলনা হল কাউবয় উডি, উডিও তার মালিক অ্যান্ডিকে অনেক বেশি ভালোবাসে  দিব্যি চলছিল দুজনের দিনকাল, কিন্ত অ্যান্ডির জন্মদিনে তার মা তাকে অসাধারণ একটি খেলনা উপহার দেয়, নতুন এই খেলনা ধীরে ধীরে অ্যান্ডির ফেভারিট খেলনা হতে লাগল,আর অ্যান্ডির কাছে উডির গুরুত্ব কমতে লাগল, তবে উডি হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়,সে যে অ্যান্ডিকে বড্ড বেশি ভালোবাসে। তাহলে সে কি পারবে আবারো অ্যান্ডির ফেভারিট খেলনা হতে? কিন্ত কীভাবে? এর জন্য তাকে কী কী করতে হবে ? বাকিটুকু না হয় মুভি দেখেই জানুন ...



 * বায লাইটইয়ারের ভয়েসের জন্য মূলত বিলি ক্রিস্টালকে অফার করা হয়েছিল,কিন্ত সে অফার ফিরিয়ে দেয়, পরবর্তীতে মুভিটি রিলিজ হওয়ার পর সে বলে "বায লাইটইয়ারের রোল না নেওয়াটা ছিল আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল"

 * সিড ফিলিপ্স নামটি পিক্সারের প্রাক্তন কর্মচারির থেকে ইন্সপায়ার হয়ে নেওয়া হয়েছে, যার কাজ ছিল  খেলনাদের বিভিন্ন অংশ খুলে সেগুলো দিয়ে উদ্ভট জিনিষ তৈরি করা।

 * শুরুতে মুভির স্ক্রিপ্ট কিছুটা অন্যরকম ছিল, একটি বার্বি ডল থাকবে যাকে উডি ভালবাসবে এবং মুভির শেষ সিকোয়েন্স, যেখানে উডি ও বায একটি চলন্ত ট্রাকের পিছু নেয়, পূর্বের স্ক্রিপ্টে এই সিকোয়েন্সও একটু অন্যরকম ছিল, যখন উডি ও বায  ট্রাকের পিছু নেয় তখন সিডের কুকুর তাদের ধাওয়া করে,তখন বার্বি তার করভেট নিয়ে এসে উডি ও বাযকে উদ্ধার করবে, কিন্ত Mattel যারা বার্বি ক্যারেক্টারের স্বত্বাধিকার, তারা এই মুভিতে বার্বি ডল ব্যবহার করার অনুমতি দেয়নি এই ভেবে যে মুভিটা ফ্লপ খাবে এবং তারা চায়নি ফ্লপ মুভির কারণে বার্বি ডলের ভাবমুর্তি নষ্ট হোক, তবে মুভিটি বক্স অফিসে সফল হওয়ার পর তারা Toy Story 2 তে বার্বি ডল ব্যবহার করার অনুমতি দেয়।

* মুভিতে কোন ক্যারেক্টারই দুই চোখের পলক একসাথে ফেলেনা, সামান্য কিছু আগে পরে হয়, খেয়াল করলেই বোঝা যাবে, অন্যথায় এই ভিডিওটি দেখতে পারেন http://bit.ly/1slGttI

* এই মুভিটি ছিল কম্পিউটারে তৈরি প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ 3D মুভি, এর আগে কিছু শর্ট ফিল্ম তৈরি হয়েছিল  তবে 3D কম্পিউটারাইজ্‌ড ফুল লেংথ মুভি এটাই প্রথম, মুভিটি রিলিজ হয় 95 সালে, তখন 3D প্রযুক্তি অতটা ডেভেলপ হয়নি তাই মুভিতে কিছু 3D ইফেক্ট দেওয়া ছিল একেবারেই অসম্ভব, তবে পিক্সার সেগুলো সূক্ষ্মভাবে এড়িয়ে গিয়েছে, যেরকম,
1. বিস্ফোরণ- সিড তার ব্যাকইয়ার্ডে কমব্যাট কার্লকে ধ্বংস করে, দর্শকরা বিস্ফোরণ হওয়ার মুহুর্তটি  দেখেনি, তখন ক্যামেরা অ্যান্ডির খেলনাদের দিকে ছিল।

2. চুল- অ্যান্ডি, সিড, মলি এদের সবার চুলই থাকে ছোট, অ্যান্ডির মা'র চুল সবসময় পনিটেইল  (ponytail) পদ্ধতিতে বাঁধা থাকে।

3. ছিটানো পানির ফোঁটা- ম্যাগনিফ্লায়িং গ্লাস দিয়ে উডির মুখ সামান্য পুড়িয়ে দেওয়ার পর উডি দৌড়ে এসে সিরিয়ালের পাত্রে মুখ ভেজায়, সাধারণত অবশ্যই পানির বা দুধের ফোঁটা ছিটে আসার কথা থাকলেও প্রযুক্তিগত অপারগতার কারণে তারা সেটা দিতে পারেনি।

* শুরুতে এই মুভির নাম You Are A Toy রাখার সম্ভাবনা ছিল।

* এই মুভিটি 95 সালের সবচেয়ে বেশি আয় করা মুভি

SPACIEL TNX;- Symon Alex


কোন সমস্যা হলে আমাকে মেসেস দিন? www.facebook.com.com/fatin.israk.3

Read more ...

এবার খুব সহজেই আপনার ফেসবুক আইডি কার্ড তৈরি করুন!!!

আলোচনা
অনেককেই বর্তমানে দেখা যায় ফেসবুক আইডি কার্ড বানাচ্ছেন যেখানে মার্ক জুকারবার্গের সিগনেচার রয়েছে!!এটা আহামরি কিচ্ছু নয় আসলে এটা সম্পূর্ণই ফেসবুক ফানি এপের কারসাজি!! তো চলুন আজকে আপনিও বানিয়ে নিন আপনার ফেসবুক আইডি।যারা জানেন তারা পোস্ট টি এড়িয়ে যেতে পারেন।
কাজ
আবারো বলে রাখি এটা কোন স্প্যাম বা ক্ষতিকারক কিছুই নয় জাস্ট ফান।সো যেকোন ব্রাউজার হতে আপনার ফেসবুক আইডি লগ ইন করুন।এবার ব্রাউজারের অন্য ট্যাবের Address বারে লিখুন. http:// www.appsdone.com/fbapp/make-your-facebook-id-card/
বা অন্য ট্যাব হতে এই লিংকে প্রবেশ করুন।তারপর Click To Know Your Result এ ক্লিক করুন।আপনার ফেসবুক পারমিশন চাইবে অকে করবেন।তারপরের দু একটি ধাপ নিজ ইচ্ছামতো চুজ করলেই আপনার ফেসবুক আইডি পেয়ে যাবেন।আমার ফেসবুক আইডি দেখুন এটাচ পিকে।



★আমাদের পোস্ট গুলোতে কমেন্ট করে আপনার মন্তব্য জানাবেন।আপনার একটি রেস্পন্স আমাদের কয়েকটি পোস্টের প্রেরণা।
★কোন ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
                 ধন্যবাদ সবাইকে
Read more ...

রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৫

(মুভি রিভিও) Shaun the Sheep Movie (2015)

আইডিয়ায় কিলবিল করা ভেড়ার বাচ্চার কাণ্ড! – Shaun the Sheep Movie (2015)





আমি এনিমেটেড সিনেমা দেখতে খুব পছন্দ করি। র‍্যাঙ্গো, ফ্রোজেন, রেক ইট রাল্‌ফ বিগ হিরো সিক্স এই ধরনের মুভিগুলোতো এনিমেটেডেই সম্ভব। এমন মুভিগুলো এনিমেটেডে যেমন আবেদন তৈরি করতে পারে বাস্তব চরিত্র দিয়ে করালে তেমন আবেদন আনতে পারবে না এটা স্বাভাবিকভাবেই বলা যায়। এখন পর্যন্ত ২০১৫ সালের সবটাই আমার ব্যস্ততার মাঝে গিয়েছে। মুভি দুনিয়ার খোঁজ খবর তেমন নিতে পারিনি। ব্যস্ত থাকলেও অল্প হলেও সিনেমা দেখা হয়। একদিন সময় করে ভাল রিপের একটা সিনেমা নামিয়ে দেখা শুরু করে দিলাম। মুভির নাম Shaun the Sheep-শন নামের ভেড়া।

অসাধারণ একটি এনিমেটেড সিনেমা। মাথায় আইডিয়া কিলবিল করে এমন একটা জিনিয়াস বাচ্চা ভেড়া তার পরিবার সহ থাকে এক মালিকের অধীনে। মালিক আবার সিরিয়াস রুটিন অনুসারী মানুষ! সবকিছু টাইম টু টাইম, সবকিছু টিপটাপ। একদিন জিনিয়াস ভেড়াটির মনে চাইল মানুষের মতো সপ্তাহের একটা দিন মালিকের কড়াকড়ির বাইরে ছুটিতে কাটাবে। এর জন্য মালিককে ধোকা দিতে হবে। একটা উপায় আছে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া। এখানে অনুসিদ্ধান্ত হল ভেড়া গুনতে থাকলে মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে। অথবা মানুষ ঘুমানোর সময় কী করে? এক-দুই-তিন-চার করে ভেড়া গুনতে থাকে, এক সময় ঘুম চলে আসে। এটা নিউরোবায়োলজির একটি টার্ম, ঘুম বিষয়ক বিজ্ঞান। এমন নামে চমৎকার কিছু বিজ্ঞানের বইও আছে। এমনই একটা বই দেখেছিলাম এক সময়। নামটাও এমন Counting Sheep: The Science and Pleasures of Sleep and Dreams




চিত্রঃ ভেড়া গুনতে গুনতে ঘুমিয়ে পড়া দৃশ্য ও ভেড়া গুনার নাম দিয়ে লেখা নিউরোবায়োলজির বই।




এই ব্যাপারটা সিনেমাতে একটু অন্যরকমভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাপারটা অনেকটা ছেলেমানুষি, কিন্তু ছোটদের বেলায় কিংবা এনিমেটেড মুভির বেলায় এটা মোটেও তেমন কিছু নয়, বরং মজা আরও বাড়িয়ে দেয়। অল্প ভেড়া, বৃত্তাকারে একই ভেড়া কৌশলে বারবার ফিরে আসে কিন্তু মালিক দেখে অনেক ভেড়া, গুণে শেষ করা যায় না। গুনতে গুনতে ক্লান্ত হয়ে যায়, এক সময় ঘুমে ঢলে পড়ে। এই ছোট একটা ব্যাপারে এতগুলো কথা বললাম কারণ খেয়াল করলে দেখা যাবে সিনেমার মূল অংশে প্রবেশ করতে ভেড়াপালকের অনুপস্থিতির দরকার ছিল আর তা শুরু হয় এই প্রক্রিয়াটার মাধ্যমে। আর সিনেমার যে মোরাল তাও আসে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। মানে এভাবে ঘুম পাড়ানো হয় দুই বার। একবার মালিকের কাছ থেকে দূরে যেতে আরেকবার মালিকের কাছে আসতে।

যাহোক, জিনিয়াস ভেড়ার যেমন পরিকল্পনা ছিল তেমনভাবে সব হয়নি। গড়বড় হয়ে যায় আর এখান থেকেই সিনেমার মূল মোরাল শুরু। মালিক তাদের কাছ থেকে দূরে চলে যায়, দেখা দেয় আরেক বিপর্যয়। কে খাওয়াবে তাদের? কে পরিষ্কার করবে? কে হিংস্র প্রাণী থেকে তাদের রক্ষা করবে? জীবন এখন বিপর্যয়ের মাঝে। জরুরী ভিত্তিতে মালিককে দরকার। যেকোনো মূল্যে মালিককে ফিরিয়ে আনতে হবে। শেষমেশ কী আর করা শুরু হল মালিকের জন্য যাত্রা, অনেক ঘটনা ঘটে তাতে।






সব ঘটনা ঠিকঠাক মতো পরিকল্পনামাফিক হয়না। ভেড়ার দল অনেক হ্যাপার পরে যখন মালিকের কাছে গেল তখন এমন কিছু আবিষ্কার করল যা ছিল একদমই অপ্রত্যাশিত। হাল ছেড়ে দেয়া ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু ঐ যে নায়ক জিনিয়াস ছেলে ভেড়াটা আছে তার কী আর হাল ছেঁড়ে দেয়া চলে? সেই কৌশল, চেষ্টা। ওরা কী পারে, যা তারা করতে চেয়েছিল?

এই নামে অনেক আগে থেকেই একটা কার্টুন সিরিজ টিভিতে প্রচারিত হয়ে আসছে। আঁকারে ছোট, হাঁসি ধর্মী এই সিরিজটি অনেক ছেলেমেয়েদেরই পছন্দের ছিল। যেমন আমার কাজিন মাহিও ছোটবেলায় এই কার্টুন দেখে বড় হয়েছে। আমিও নেট থেকে নামিয়ে কয়েকটা পর্ব দেখেছিলাম, ভালই লেগেছে। তবে সিনেমাটার মান অনেক অনেক গুণ বেশি। এনিমেশনের মান অনেক অনেক উন্নত, অনেক পরিষ্কার।

সিনেমার আরেকটা দারুণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর মাঝে কথা আছে কিন্তু ভাষা নেই। মানে ওদের ভাষায় ওরা কথা বলে শব্দ হয়, চিৎকার হয়, চেচামেচি হয় কিন্তু কোনো ভাষার দরকার পড়ে না। সিনেমার মাঝে এটা একটা সীমাবদ্ধতা হবার কথা ছিল কিন্তু এটা সিনেমার সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়। আর নির্মাণ এত দারুণ ছিল যে এখানে ভাষার দরকার নেই। যারা সাবটাইটেল দিয়ে সিনেমা দেখি (আমি ইংরেজি অর্ধেক সিনেমাই সাবটাইটেল দিয়ে দেখি) তাদের বেলায় এটা খুবই কাজের জিনিস। ভাব বুঝতে কষ্ট করে সাবটাইটেল পড়তে হয়না।

সিনেমাটা খুব মজার ও জায়গায় জায়গায় কমেডিতে ভরপুর। সিনেমাটা কয়েকজনকে সাজেস্ট করেছিলাম, তারা বয়সে বড়, তাদের ভাষ্য ছিল- ভেড়ার মুভি দেইখা কী করাম? :/ সিনেমাটা যে ফাটিয়ে ফেলেছে তা বুঝা যায় ফেসবুকের স্টিকার কমেন্ট দেখলে। ফেসবুক তাদের স্টিকার স্টোরে জনপ্রিয় ও অসাধারণ কিছু সিনেমার স্টিকার যোগ করে থাকে। এই সিনেমার স্টিকার দেখার পরে নিশ্চিত হলাম আমার অনুমান সত্য।



চিত্রঃ সিনেমা থেকে ফেসবুকের স্টিকার





Read more ...

(মুভি রিভিও) এনিমেটেড মুভি ক্লাউডি

এনিমেটেড মুভি ক্লাউডি পাগলা বিজ্ঞানীর উদ্ভাবনের মজার যন্ত্রণা







একদম মাথা নষ্ট করা এনিমেটেড মুভি। পাগলা টাইপের ক্ষেপাটে এক উদ্ভাবক ছেলে এর নায়ক। ছোটবেলা থেকেই নানা ক্রেজি জিনিষ আবিষ্কার/উদ্ভাবন করে এবং সেই উলটাপালটা উদ্ভাবনের জন্য উলটাপালটা খেসারৎ দিতে হয় আর অন্যের হাস্যরসের খোঁড়াক তো হয়ই।


ন্যানো বিজ্ঞানী। শহরে খাবারের সমস্যা। দূষিত। ক্ষেপাটে বিজ্ঞানী খাবার সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্ভাবন করে এক যন্ত্রের, যা পানির অণুকে পালটে খাবারে রুপান্তরিত করতে পারে। সবটাই হয় ন্যানো স্কেলে নানা পরিবর্তনের মাধ্যমে। একসিডেন্টলি যন্ত্র চলে যায় আকাশে, আকাশের মেঘ হতে পানিকণা দিয়ে আকাশ থেকে বৃষ্টির মতো খাবার পড়তে থাকে! ভাবা যায় কী দারুণ অবস্থা তখন! হাত পাতলেই হাতের উপর খাবার এসে পড়ে।
কিন্তু এই মেশিন যদি কোনো পেট পূজারি মানুষের কাছে পড়ে, যার চাই শুধু বেশি আর বেশি তখন কী হবে। যার অনেক ক্ষমতা এক কামড়ে একটা ঘোড়া খেয়ে ফেলতে চায় তাঁদের হাতে গেলে কেমন হবে? এরপর থেকে শুরু হয় অফুরন্ত খাবার সরবারহের নানা টেকনিক্যাল ত্রুটির দিকটি।
এনিমেটেড হিসেবে অসাধারণ। ভিন্ন ধাঁচের। দারুণ কল্পনা। এখান পাশাপাশে কিছু যৌক্তিক দিক আছে। যেমন খাবারের বৃষ্টি হতে পারলে কেন খাবারের ঘূর্ণিঝড় হবে না? 

সিনেমাটা উপভোগ্য, দেখে নিতে পারেন সবাই।





Read more ...

কী করে ফেসবুক এবাউটে নিজের ছবি দিবেন




নিজের এবাউটে নিজের ছবি দেওয়ার জন্য আপনার প্রথমেই একটি পেজ লাগবে। পেজ খুলুন। এরপর নিজের পেজে আপনার ছবি আপলোড করুন এবং সেই ছবিতে যান। যেভাবে আমি গিয়েছি ১ম ছবিতে। এই ছবির একটি কোড আছে যেটি আমাদের দরকার। কোডটির জন্য ২নং ছবির মতো লিনক কপি করুন এবং ২নং ছবির মতো কোডটি কপি করুন। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে https://mobile.facebook.com/
476770049193324/photos/a.47677095585990
0.1073741827.476770049193324/
476770942526568 এটি হচ্ছে আমার সেই পিক এর লিনক এবং এখানে ছবির কোড হচ্ছে 476770942526568। এবার ৩নং ছবির মতো আপনার এবাউটে যান এবং এডিট এ ক্লিক করুন। র ওই কোডটি পেস্ট করুন। এবার ওই কোডটির উভয় পাশে [[ ]] এটা বসিয়ে দিন। যেভাবে ৩নং পিকে আমি বসিয়েছি। এভাবে [[*476770942526568*]]। * দুটি রিমুভ করে দিলেই কোড কাজ করবে। তারপর সেভ করুন। আর দেখুন আপনার ছবি চলে এসেছে হ্যাপি ফেসবুকিং






কোন সমস্যা হলে যোগাযোগ করুন 
০১৭৮৬৩৭১০২৩



Read more ...

হিমু চরিত্র


হিমু চরিত্র
হিমু হচ্ছহচ্ছ বাংলাদেশের এর লেখক হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় ও কাল্পনিক চরিত্র।
[১][২] হিমু একজন বেকার যুবক যার আচরণ কিছুটা অস্বাভাবিক। [৩]
নব্বইশের দশকে হিমুর প্রথম উপন্যাস
ময়ূরাক্ষী প্রকাশিত হয়। প্রাথমিক সাফল্যের পর হিমু চরিত্র বিচ্ছিন্নভাবে হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন উপন্যাসে প্রকাশিত হতে থাকে। হিমু ও
মিসির আলি হুমায়ুন আহমেদ সৃষ্ট সর্বাধিক জনপ্রিয় দুইটি কাল্পনিক চরিত্র।
চরিত্র পরিচয়
হিমু চরিত্রের আসল নাম হিমালয়। এ নামটি রেখেছিলেন তার বাবা। লেখক হিমুর বাবাকে বর্ণনা করেছেন একজন বিকারগ্রস্ত মানুষ হিসেবে; যার বিশ্বাস ছিল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যদি প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করা যায় তবে একইভাবে মহাপুরুষও তৈরি করা সম্ভব। তার মহাপুরুষ তৈরির বিদ্যালয় ছিল যার একমাত্র ছাত্র ছিল তার সন্তান হিমু। হিমুর পোশাক হল পকেটবিহীন হলুদ পাঞ্জাবী। ঢাকা শহরের পথে-পথে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো তার কর্মকাণ্ডের মধ্যে অন্যতম। উপন্যাসে প্রায়ই তার মধ্যে
আধ্যাত্মিক ক্ষমতার প্রকাশ দেখা যায়। যদিও হিমু নিজে তার কোন আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা স্বীকার করে না। হিমুর আচার-আচরণ বিভ্রান্তিকর। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার প্রতিক্রিয়া অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে, এবং এই বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হিমুর অত্যন্ত প্রিয় একটি কাজ।
হিমু উপন্যাসে সাধারণত হিমুর কিছু ভক্তশ্রেণীর মানুষ থাকে যারা হিমুকে মহাপুরুষ মনে করে। এদের মধ্যে হিমুর খালাতো ভাই বাদল অন্যতম। মেস ম্যানেজার বা হোটেল মালিক- এরকম আরও কিছু ভক্ত চরিত্র প্রায় সব উপন্যাসেই দেখা যায়। এছাড়াও কিছু বইয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী ও খুনি ব্যক্তিদের সাথেও তার সু-সম্পর্ক ঘটতে দেখা যায়। হিমুর একজন বান্ধবী রয়েছে, যার নাম রূপা; যাকে ঘিরে হিমুর প্রায় উপন্যাসে রহস্য আবর্তিত হয়। নিরপরাধী হওয়া সত্ত্বেও সন্দেহভাজন হওয়ায় হিমু অনেকবার হাজতবাস করেছে এবং বিভিন্ন থানার ওসি ও সেকেন্ড অফিসারের সাথে তার বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে।[২]
নামকরণ
হিমুর প্রকৃত নাম হিমালয়। বাল্যকালে তার বাবা তার নাম রেখেছিলেন হিমালয়, যা হিমালয় পর্বতের ন্যায় মহত্ব প্রকাশ করে। হিমুর বাবা তাকে একজন মহাপুরুষ হিসাবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি তার ছেলের এমন নাম রেখেছিলেন। পরবর্তীতে ছাত্রজীবনে এই নাম নিয়ে হিমুকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তার পিতামহ তার অন্য নাম রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হিমু তার বাবার দেয়া নামই গ্রহণ করে।
শিক্ষা
হিমু ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষানবিশ - উপন্যাসে এমনটিই বলা হয়েছে; পাশ করেছে কিনা তা উল্লেখ করা হয়নি। তবে তার সাধারণ জ্ঞান ভালো।
উপস্থিতি
হিমুর বয়স ২৪-২৭ বছরের মধ্যে। তার পোশাক ও গেট-আপ কিছু কিছু মানুষের কাছে বিরক্তিকর । সে খুব একটা সুদর্শন না হলেও তার চোখ ও হাসি খুব সুন্দর বলা হয়েছে । সে সবসময় হলুদ রঙের পাঞ্জাবী (অধিকাংশ সময়ে যেটার পকেট থাকে না) পরে । বেশিরভাগ সময় সে খালিপায়ে চলাফেরা করে । শীতকালে সে রুপার দেওয়া কাশ্মীরি শাল ব্যাবহার করে । তার চুল ও দাড়ি সবসময় বড়বড় রাখে তবে প্রায়ই সে পুরোপুরি ন্যাড়া হয়ে যায় । রাতের বেলায় রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করে। তার ফুপাতো ভাই বাদল তার অন্ধভক্ত। যে তার আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতি নিঃসন্দিহান, এবং তাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করে। হিমু মাঝে মাঝে ভবিষ্যতবাণী করে যা প্রায় সময়েই মিলে যায়। সে তার যুক্তি-বিরোধী মতানুসারে কাজ করে, এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে দেয়। প্রায় সময়ই হিমুকে পরোপকার করতে দেখা যায় (যদিও তাতেও কিছু বিভ্রান্তি মিশ্রিত থাকে)।
জীবন যাপন
হিমুর জীবন যাপন অদ্ভুত। তার জীবন অনেকটা বাউন্ডুলে ধরনের। সে মেসে তার বন্ধু-বান্ধবের সাথে থাকে। মাঝে মাঝে রাস্তায় ও পার্কেও রাত কাটায়। তার প্রধান কাজ রাস্তায় ঘুরে বেরানো । তার কোনো পেশা নেই। হিমুর বেশকিছু বিত্তবান আত্মীয় রয়েছে। হিমু প্রায়ই তার বিত্তবান আত্মীয়দের কাছ থেকে উপহার এবং অর্থসাহায্য পায়। তবে সে মানুষের কল্যানের জন্য অনেক কাজ করেছে ।
ব্যাক্তিত্ব
হিমু স্বতন্ত্র ব্যাক্তিত্বের অধিকারী। সে প্রায়ই যুক্তি-বিরোধী মতানুসারে আচরণ করে, এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করে এবং তার এরকম অযৌক্তিক ব্যাক্তিত্বের কারণে সে অনেক সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা পেয়ে যায়। তার এরূপ আচরণ অনেক মানুষকে তাকে মহাপুরুষ ভাবতে প্রভাবিত করে। হিমু যথেষ্ট বুদ্ধিমান ও রসবোধসম্পন্ন ।
হিমু সম্পর্কিত উপন্যাস
উপন্যাস প্রকাশকাল
ময়ূরাক্ষী মে ১৯৯০ [৪]
দরজার ওপাশে মে ১৯৯২ [৫]
হিমু ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ [৬]
পারাপার ১৯৯৪ [৭]
এবং হিমু... ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ [৮]
হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম
এপ্রিল ১৪, ১৯৯৬ [৯]
হিমুর দ্বিতীয় প্রহর ১৯৯৭ [১০]
হিমুর রূপালী রাত্রি
ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ [১১]
একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁ ‍ঝিঁ পোকা মে ১৯৯৯[১২]
তোমাদের এই নগরে
Read more ...

হিমু হওয়ার নিয়মাবলি

হিমু হওয়ার নিয়মাবলি:-
১:-বয়স আঠারোর উপর হতে হবে৷ আঠারোর নিচে হিমু হওয়া যাবে না৷ বিশেষ ব্যবস্থায় আঠারোর নিচেও হিমু হওয়া যাবে, তখন বাবা-মা এবং স্কুলের হেডমাস্টার সাহেবের অনুমতি লাগবে৷

২:-হলুদ পাঞ্জাবি বাধ্যতামূলক৷ শীতকালে হলুদ চাদর পরা যেতে পারে৷ বাংলাদেশের সীমানার বাইরের হিমুরা হলুদ পাঞ্জাবির বদলে হলুদ শার্ট বা জ্যাকেট পরতে পারবে৷

৩:-খালি পা বাধ্যতামূলক না৷ কম দামি চামড়ার স্যান্ডেল পরা যেতে পারে৷ শীত প্রধান দেশের হিমুরা জুতা-মোজা পরতে পারবে৷

৪:-প্রতি পূর্ণিমায় পূর্ণচন্দ্রের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকা বাধ্যতামূলক৷ মেঘ-বৃষ্টির কারণে চাঁদ দেখা না গেলে কল্পনায় চাঁদ দেখতে হবে৷

৫:- বৃষ্টি বাদলার দিনে ছাতা ব্যবহার করা যাবে না৷ এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে যেতে হবে৷ ঠাণ্ডা লেগে গেলে চিকিৎসা নিতে হবে৷ হিমুরা শরীর ঠিক রাখার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারে৷ এতে কোনো বাধা নেই৷

৬:-রাতে নির্জন রাস্তায় হাঁটার বিধান শিথিলযোগ্য৷ বইপত্রে দেখা যায়, হিমুরা সন্ত্রাসী এবং পুলিশের সঙ্গে ঠাট্টা তামাশা করে৷ নব্য হিমুদের এই কাজ করতে কঠিনভাবে নিষেধ করা হচ্ছে৷ র্যাবের হাত থেকে শত হস্ত দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়৷

৭:-হিমুরা কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা সমর্থনকারী হতে পারবে না৷ তাদের একটাই নীতি হিমুনীতি, রাজনীতি নয়৷

৮:-হিমুদের জন্য সপ্তাহে দুইদিন নিরামিষ আহার বাধ্যতামূলক৷ বাকি দিনগুলোতে মনের সুখে খাওয়া-দাওয়া করা যাবে৷

৯:-হিমুদের পাঞ্জাবিতে পকেট থাকে না৷ তবে কেউ যদি পকেট রাখেন তবে দোষ হবে না৷

১০:-হিমুরা কখনোই মানিব্যাগ ব্যবহার করতে পারবে না৷

১১:-তারা সব সময় হাস্যমুখে থাকবে, সবার সঙ্গে ঠাট্টা ফাজলামি ধরনের কথা বলবে, তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যদের সঙ্গে কখনো না৷ তারা ঠাট্টা ফাজলামি বুঝে না৷

১২:-আদি হিমুর পিতা যেসব নীতিমালা হিমুর জন্য লিখে গেছেন সেইসব নীতিমালা নিয়মিত পাঠ করতে হবে৷ সেই মতো জীবনচর্যাও পরিচালিত করতে হবে৷

১৩:-হিমুরা কখনোই কোনো তরুণীর সঙ্গে হৃদয়ঘটিত ঝামেলায় জড়াবে না৷ একসঙ্গে ফুচকা খাওয়া, ফাস্টফুড খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ৷

১৪:-এক হিমু অন্য হিমুকে আপন ভাইয়ের মতো দেখবে৷

১৫:-বিশেষ বিশেষ উৎসবে, যেমন পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারিতে সব হিমুরা একত্রিত হয়ে হিমু সঙ্গীত গাইবেন৷ হিমু সঙ্গীত এখনো লেখা হয়নি৷ সঙ্গীত লেখা এবং সুর দেওয়া হিমু গেজেটে প্রকাশ করা হবে৷
----হুমায়ূন আহম্মেদ

স্পেসাল ধন্যবাদ www.facebook.com/rean.hemo
Read more ...

কোন প্রিন্ট এর ভিডিও সবচেয়ে ভাল


আমরা বেশিরভাগ মানুষই মুভি খোর। পুরোপুরি পাগল না হলেও অনেক মানুষই মুভি দেখতে ভালবাসেন। আর আমরা এসব মুভি ইন্টারনেট থেকে মাংনায় ডাউলোড করি। কিন্তু ডাউনলোডের সময় আমরা সবাই দেখেছি মুভির শেষে PDVDRip, BRRip, TS ইত্যাদি লেখা থাকে। আমাদের অনেকেরই এসব সম্পর্কে জ্ঞান নেই। তাহলে আসুন একটু জেনে নেয়া যাক। আমার এই ছোট্ট প্রয়াস হয়ত আপনাদেরকে ভবিষ্যতে আরো ভালভাবে মুভি ডাউনলোড দিতে সাহায্য করবে। মূলত মুভির শেষে যে লেখাগুলো থাকে তা রিপিং (Ripping) স্টাইল চিহ্নিত করে।


TVRp
টিভি হল বর্তমানে আমাদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। অনেকের কম্পিউটারে টিভি কার্ড লাগানো থাকে এবং তা দিয়েই আমরা পিসিতে টিভি দেখতে পারে। কিছু উন্নতমানের কার্ড হলে সরাসরি টিভি থেকেই রেকর্ড সম্ভব হয়। তবে কোয়ালিটি কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনার টিভি স্ক্রিন কত পরিষ্কার এবং চ্যানেল কত স্বচ্ছ। Television থেকে যেসব রিপিং করে ইন্টারনেটে ছাড়া হয় সেগুলোই হল টিভি রিপ।

CAM Rip
মুভি যখন প্রথম রিলিজ হয় তখন এই রিপের ফাইলগুলো ইন্টারনেটে ছাড়া হয়। দেখেই বোঝা যায়, এটি হল Cam অর্থাৎ ক্যামেরা দ্বারা রিপ করা।
সিনেমা হলের প্রিন্টই হল ক্যাম রিপ যাকে আমরা বলে থাকি Hall Print. এ ধরনের রিপের কোয়ালিটি নিম্নমানের হয়। একটি পাওয়ারফুল ক্যামেরা দিয়ে হলে বসেই স্ক্রিন ভিডিও করা হয়। সাউন্ড নেয়া হয় ক্যামেরার সাথের স্পিকার দিয়ে অথবা হলের স্পিকারের লাইন থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই হাঁত কাপার কারনে স্ক্রিনও কেঁপে যায়, আবার সামনে দিয়ে যদি কোন লোক হেঁটে যায় তবে তাকেও দেখা যায়। বসার জায়গা সঠিক না হলে রিপিং এর সময় স্ক্রিনের চারদিকের বর্ডারটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে (অর্থাৎ সিনেমা হলের পর্দার বর্ডার)। আবার অনেক সময় একটি কোনা থেকে বসে রেকর্ড করলে সিনেমা অনেকটা বাকা বলে মনে হয়।
আমাদের এই উপমহাদেশে যে সকল Cam Rip হয় সেগুলো খুব নিম্নমানের। তবে পশ্চিমা দেশের হলের পর্দা স্পষ্ট এবং সেখানে রিপিং সম্পর্কিত প্রতিভা ভাল হওয়ায় সেখানকার ক্যাম রিপ একটু ভাল কোয়ালিটির হয়।

TS Rip
TS এর সম্পূর্ণ অর্থ হল Tele Sync। এটি প্রায় CAM রিপ এর মতই। তবে মূল পার্থক্য হল – একটি এক্সটার্নাল সোর্স থেকে অডিও সরবরাহ করা হয়। যদি ডাইরেক্ট সাউন্ড সিস্টেম থাকত, তাহলে দর্শকদের মুখের কথা শোনা যেত। আবার কমেডি সিনেমা হলে হো হো করে হাসির শব্দ শুনলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। এক্সটার্নাল সোর্স থেকে সাউন্ড সংগ্রহ করায় এর সাউন্ড এর মান ভালো হলেও , পিকচার কোয়ালিটি CAM এর মতই , কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছুটা ভালো হয়।

SCR Rip

পুরো অর্থ Screener। অনেক মুভির প্রচারের জন্য VHS Tape বিভিন্ন দোকানে পাঠানো হয়। এসবের মূল বৈশিষ্ট্য হল, স্ক্রিনে শুরুতে কোম্পানির নাম এবং কপিরাইট সম্পর্কিত টেক্সট ভাসতে থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসকল টেক্সট পুরো সিনেমার সময় ধরে এক কোনায় ভাসতে থাকে। এসকল Tape থেকে যে সকল রিপ করে ইন্টারনেটে ছাড়া হয় সেগুলো SCR Rip নামে উল্লেখ করা হয়।
এসকল ছবির মান কেমন হবে তা নির্ভর করবে এনকোডারের আর টেপের উপর। যদি সরঞ্জমাদি ভাল হয় তবে কোয়ালিটিও ভাল হতে বাধ্য।

TC Rip

TC এর সম্পূর্ণ অর্থ হল TeleCine। এটি শুধু আমাদের দেশে নয়, প্রায় সব দেশেই একেবারে Uncommon. কারনটি একটু পরে বলছি।
TC রিপ এ সিনেমার রিল (Reel) থেকে সরাসরি সিনেমা কপি করা হয়, এরপর ডিস্ক থেকে রিপ করে ইন্টারনেটে ছাড়া হয়। সাউন্ড কোয়ালিটি এবং পিকচার কোয়ালিটি অত্যন্ত উন্নতমানের হয়। কিন্তু এ রিপিং পদ্ধতিতে খরচ বেশি হওয়ায় এটি অনেকটাই আন-কমন।

PDVD Rip


এর পুরো অর্থ সম্পর্কে ইন্টারনেটে মতভেদ আছে। কেউ বলেন এর অর্থ Pre DVD Rip আবার কেউ বলেন Pirated DVD Rip. তবে যেটাই হোক না কেন, এটা কিন্তু এই আমাদের এশিয়া মহাদেশ সম্পর্কিত। প্রি ডিভিডি রিপ বলতে বুঝায় সিনেমার অফিশিয়াল রিলিজ হওয়ার আগেই যে রিপ করে সিনেমা ইন্টারনেটে রিলিজ করা হয়। আর এসব ডিস্ক সাধারনত সিলভার ডিস্ক হয় যা কিন্তু সস্তা।
আমরা বাজারে যেগুলো কিনি সেগুলোর বেশিরভাগই PDVD রিপ।

DVD Rip

এটি হল PDVD এর যমজ ভাই। একই জিনিস। এটি সরাসরি DVD থেকে রিপিং করে Xvid/DivX (ইনকোডিং ফরম্যাট) ইনকোডিং ফরম্যাটে এনে ইন্টারনেটে রিলিজ করা হয়। এটি হল ফাইনালি রিলিজড ডিভিডির রিপ। কোয়ালিটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভাল হয়।
মূলত মুভি TVRip হয় না। কোন টেলিফিল্ম, নাটক ইত্যাদি TVRip হয়ে থাকে। আমাদের দেশে এর প্রচলন কম কেননা আমাদের দেশের লোকাল ক্যাবল নেটওয়ার্কের কোয়ালিটি ভাল নয়।

BRRip OR BDRip


Blue Ray Disk এর নাম আপনারা সবাই শুনেছেন। এগুলো ডিস্কের দাম অনেক বেশি এবং আমাদের দেশে পাওয়া যায় কিনা সে সম্পর্কে আমি বলতে পারব না। Blue Ray ডিস্ক থেকে রিপিং করে যে সব ইন্টারেনেটে ছাড়া হয় সেগুলোই হল BR অথবা BD রিপ। এগুলোর কোয়ালিটি খুবই ভাল, দেখতে পুরোপুরি পরিষ্কার। একে আমরা Original Master Print বলতে পারি।
এগুলোর ভিডিও কোয়ালিটি ৭২০
Read more ...